পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া) আসনে সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সাহাপুর ইউনিয়নে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এতে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলও আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, সামনে থাকা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে এক যুবক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলি ছুড়ছেন। তার নাম তুষার মণ্ডল। তিনি ঈশ্বরদী পৌরসভার ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে এবং পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াত কর্মী তুষার মণ্ডল প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে গুলি চালিয়েছে। ভিডিওই তার প্রমাণ।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘জামায়াত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। পরে গ্রামবাসী প্রতিরোধ গড়লে তারা পালিয়ে যায়। এখন গুলির দায় উল্টো বিএনপির ওপর চাপাতে চাচ্ছে।’
অন্যদিকে পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল দাবি করেন, ‘অস্ত্র হাতে থাকা যুবক আমাদের দলের কেউ না। সংঘর্ষ উসকে দিয়ে বিএনপি এখন মিথ্যাচার করছে।’
তবে আবু তালেবের ভাতিজা মামুনের মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, বিএনপি–জামায়াত দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজসহ সব প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










