বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেছেন, যতবারই দেশ হুমকির মুখে পড়েছে, গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে বিভিন্ন দল, ততবারই এই বিএনপির নেতৃত্ব এগিয়ে এসেছেন।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ধামরাই উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে ঢুলিভিটা এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তমিজ উদ্দিন বলেন, আপনারা দেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য আপসহীনভাবে ওয়ান ইলেভেনের সময় দেশ ছেড়ে যাননি, এবারও দেশ ছেড়ে যাননি। মিথ্যা মামলায় অসুস্থ মানুষটিকে এই বয়সে জেলে রাখা হয়েছে। ছয় থেকে সাড়ে ছয় বছর বিনাদোষে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জেল খেটেছেন। আমাদের বহু নেতাকর্মী গুম হয়েছেন, মৃত্যুবরণ করেছেন। আমিও বহুবার জেলে গিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটা বিশাল নৈরাজ্য চলছিল। শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর দেশ আরও বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে। ২-৩ মাস আইনশৃঙ্খলা কিছুই চলছিল না। এরই মাঝে আমাদের প্রিয় নেতা স্বাধীনতার ঘোষক, রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান তখন সেনাপ্রধান ছিলেন। কুচক্রী একটা মহল ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সেনাবাহিনীর একটা অংশ তাকে আটক করে ক্ষমতা নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন ও দেশ চালানোর জন্য তাকে দায়িত্ব দেন। সেই দুর্যোগ সময়ে ৭ নভেম্বর এই ঘটনা ঘটেছিল, আমরা তারই স্মরণে আজকের এ কর্মসূচি।
তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার প্রসঙ্গ টেনে তমিজ উদ্দিন বলেন, সেখানে মানুষের সব চাওয়ার প্রতিফলন রয়েছে। ধামরাই শিল্পোন্নত এলাকা, এখানে বেকারদের কাজ দেওয়া যেতে পারে। এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা সর্বোপরি মাদকের বিরুদ্ধে একটা কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যালিতে ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাকিবুর রহমান ফরহাদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী যোগ দেন










