1. jahidul.savarnews24@gmail.com : News Editor : News Editor
  2. jahidul.moviebangla@gmail.com : Jahidul Islam : Jahidul Islam
  3. savarnews24@gmail.com : savarnews24 :
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
সাভার নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সবাইকে স্বাগতম >> আপনার আশপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা জানাতে আমাদের মেইল করুন। ই-মেইল : savarnews24@gmail.com
শিরোনাম :

নিখোঁজ অধ্যক্ষের লাশের ৬ টুকরা উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৬৯৭ বার পড়েছেন

নিখোঁজ অধ্যক্ষের লাশের ৬ টুকরা উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

 

অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মন। ফাইল ছবি

সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের (৩৬) লাশের ৬ টুকরা উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গত ১৩ জুলাই থেকে নিখোঁজ এই কলেজ শিক্ষককে হত্যার পর লাশ টুকরা টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে জানান র‌্যাব। এ ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে তারা।

এদিকে মরদেহের খণ্ডিত বাকি অংশ উদ্ধারে আজ সোমবার সকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চলছে বলে নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

নিহত মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে।
র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গত ১৩ জুলাই আশুলিয়া থানায় ওই শিক্ষক নিখোঁজের জিডি করেন তার পরিবার। ওই ঘটনায় র‌্যাব পুলিশের পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে। নিখোঁজ ওই শিক্ষকের ৬ খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

হত্যাকারী মূলহোতাসহ তিনজন গ্রেফতার করা হয়েছে। মিন্টুর এক সহকর্মীসহ র‍্যাবের হাতে আটক তিনজনও র‍্যাবের অভিযান দলের সঙ্গে রয়েছেন।
র‍্যাব বলছে, মিন্টু বর্মণকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে ফেলা হয়। দেহ থেকে মিন্টুর মাথা বিচ্ছিন্ন করে উত্তরায় একটি ডোবায় ফেলা দেওয়া হয়।

২৮ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে আজ সোমবার সকালে এক খুদে বার্তায় সাংবাদিকদের অভিযান চালানোর তথ্য জানানো হয়। র‍্যাব জানিয়েছে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় মিন্টু বর্মণের লাশ উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে।

মিন্টু চন্দ্র বর্মণ সাত বছর ধরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি সেখানকার আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন।

দুই বছর আগে (২০১৯ সাল) মিন্টু চন্দ্র বর্মণসহ চারজন মিলে জামগড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েন। অন্য তিন সহপ্রতিষ্ঠাতা হলেন রবিউল ইসলাম, মোতালেব ও শামসুজ্জামান। মিন্টু চন্দ্র বর্মণ ছিলেন এর অধ্যক্ষ। গত ১৩ জুলাই থেকে তাঁর সন্ধান মিলছিল না।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের ভাষ্যমতে, স্কুলের শ্রেণিকক্ষেই মিন্টু বর্মণকে কুপিয়ে খুন করা হয়। লাশ ছয় টুকরা করে স্কুলের মাঠেই পুঁতে ফেলা হয়। এরপর বিচ্ছিন্ন মাথা ফেলা হয় দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকায়। আটক সবাই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও খবর :