1. jahidul.savarnews24@gmail.com : News Editor : News Editor
  2. jahidul.moviebangla@gmail.com : Jahidul Islam : Jahidul Islam
  3. savarnews24@gmail.com : savarnews24 :
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
সাভার নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সবাইকে স্বাগতম >> আপনার আশপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা জানাতে আমাদের মেইল করুন। ই-মেইল : savarnews24@gmail.com
শিরোনাম :
ভাকুর্তা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজী লিয়াকতের মোটর শোভাযাত্রা সাভারে র‌্যাবের হানা খাদ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক উদ্ধার ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ (ভিডিও) মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ প্রকাশ বর্তমান নির্বাচন কমিশনার পুরোপুরি ব্যর্থ: এম সাখাওয়াত হোসেন বেদে মনতাজের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান তুরাগে নৌকাডুবি : মৃতের পরিবার পাবে ২০ হাজার টাকা সিংগাইরের চান্দহর ইউনিয়নে নারী কোঠায় আ.লীগের মনোনয়ন চান শোভা ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার সিংগাইরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

আশুলিয়ার গৃহকর্মীকে বেধে অমানবিক নির্যাতন,

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১৮ বার পড়েছেন

আশুলিয়ার গৃহকর্মীকে বেধে অমানবিক নির্যাতন, ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ নাজমুল হুদা, সাভার : সাভারে বাসাবাড়িতে কাজ করতে গিয়ে নির্যাতন ও চুল কেটে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এক গৃহকর্মী। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের অভিযোগ, কাজ করার সময় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাড়ির মালিক। এরপর মালিকের স্ত্রী এসে দেখে ফেলায় তাকে আটকে রেখে বেধরক পেটানো হয়। এমনকি পুলিশের কাছে অভিযোগ করে ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও কোন আইনি সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ তাদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভুক্তভোগী শোভা রানীর শরীরে জখমের চিহ্ন ও মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এর আগে মঙ্গলবার আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকার সোনিয়া মার্কেটের মালিকের বাড়িতে কাজ করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শোভা রানী। ভুক্তভোগী শোভা রানী গাইবান্ধা জেলার সদর থানার কূপতলা গ্রামের আনিছুর রহমানের স্ত্রী। আনিছুর পেশায় রিকশাচালক ও তার স্ত্রী শোভা দিনমজুরের কাজ করেন। মাঝে মধ্যে মানুষের বাসাতেও কাজে যান। তাদের একটি মেয়ে সন্কান আছে। অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী লিপি বেগম আশুলিয়ার গাজীরচট সোনিয়া মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী শোভা রানী বলেন, গত পরশুদিন দুপুরে গাজীরচট সোনিয়া মার্কেটের মালিক দেলোযার হোসেন ও তার স্ত্রী তাদের বাড়িতে কাজ করার জন্য তাকে ডেকে নিয়ে যায়। বাড়ির ফ্লোর মোছার সময় বাড়ির মালিক দেলোয়ার ছাড়া তখন কেউ ছিলো না। ওই সময় দেলোযার তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। হঠাৎ সেখানে বাড়ির মালিকের স্ত্রী পৌছে উল্টো তাকে চর-থাপ্পর মারতে থাকেন৷ তার কোন কথাই শোনেনি মালিকের স্ত্রী লিপি। পরে লিপি ও তার দেবড়ের স্ত্রী তাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলে। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত আটকে রেখে লাঠি দিয়ে তাকে বেধরক পিটিয়ে জখম করে। প্রথমে কেঁচি দিয়ে মাথার চুল কাটে। পরে ব্লেড দিয়ে নাইড়া কইরা দেয়। এরপর বাড়ির মালিকদেরই এক স্বজন তাকে উদ্ধার করে রিকশাযোগে বাড়িতে পাঠায়৷ এসময় তিনি ২৫০০ টাকা চিকিৎসার জন্য দিলে তাও কেড়ে নেন বাড়ির মালিকের স্ত্রী লিপি। ওই দিন রাতে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে আটক না করেই চলে আসে। পরদিন গতকাল সকালে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন তিনি। ভুক্তভোগীর স্বামী আনিছুর রহমান বলেন, ‘পরশুদিন আমার বউক ওরা কামের কতা কয়্যা ডাকি নিয়া গেছে। তখন বাড়িয়ালি বাড়িত আছিলো নাম ওইসোম আমার বউ মাজিয়া মুছপার (পরিষ্কার) সোম বাড়ির মালিক দেলোয়ার জোর কইরা আকাম (ধর্ষণচেষ্টা) করবার গেছিল। পরে বাড়িআলার বউ আইসা দেইখা আমার বউক বান্দিয়া মারছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রিকশাত কইরা বাসাত পাঠাইছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পরশুদিন থানাত গেছিলাম। পরে আইতে (রাত) পুলিশ ওই বাড়িত গিয়া বলে কাউরে পায় নাই। গতকাইলকা বেলা ১টার দিকে আবোর পুলিশ দেলোয়ারের ব্ড়িতে গেছিলো। আমরাও আছিলাম। পরে দারোগা কয়, দাড়া দেলোয়ার ভাইয়ের কাছে ট্যাকাপয়সা নিয়া দেই তোরা জাগা। ১৫ হাজার ট্যাকার চিকিৎসার জন্য দিবার চাইছেম পরে ৮ হাজার ট্যাকা দিয়া দারোগা আমাগো ঘর থাইকা বাইর কইরা দিছে। তখন দারোগা আর দেলোয়ার ঘরের মধ্যে আছিলো। এক ঘন্টার মতো থাইকা চইলা গেছে। ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরা বলেন, শোভা রানী নামে ওই নারীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। যে গুলো মারধরের। রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে তাকে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে গাজীরচট সোনিয়া মার্কেট এলাকায় মালিক দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে গেট তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে মুঠোফোনে দেলোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরশুদিন এক মহিলা কাজ করতে আইছিলো। আমি তখন নিচে ছিলাম। কিন্তু আমরা বউ আমারে খুব সন্দেহ করে। ওই কামের মহিলারে অযথাই বাইন্দা মারধর করছে। পরে গতকাল দুপুরে দারোগা ইউনুছ আসছিলো। তখন ওই মহিলারে চিকিৎসার জন্য ৮হাজার ট্যাকা দিছি। কইছি লাগলে আরও দিমু।‘ তবে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুছ আলী বলেন, ‘পরশু দিন ওই গৃহকর্মী বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন। আমি কয়েকবার গিয়ে বাড়ির মালিককে পাই নাই। সে বাসায় ছিলো না। যদিও ভুক্তভোগী কোন ধর্ষণের অভিযোগ করেননি বলে জানান তিনি। তবে গতকাল অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে ভুক্তভোগীকে টাকা দিয়ে মিমাংসার চেষ্টা করেছেন কি না এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন। সবশেষ বৃহস্পতিবার আজ বিকেল ৪টার দিকে দুই দিনেও কেন মামলা হয়নি এ বিষয়ে এসআই ইউনুছের সাথে কথা হয় । তিনি বলেন, ‘আমিতো মামলার এজাহার রেডি করে রাইখা আসছি। ওসি স্যার বলছে, আগে ধইরা নিয়া আসো। দেলোয়ার আর তার বউরে ধরতে বের হইছি ভাই।’ আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘আমিতো ঘটনা জানি না। এরকম কেউ ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে কি না জানা নেই। তবে আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও খবর :