1. jahidul.savarnews24@gmail.com : News Editor : News Editor
  2. jahidul.moviebangla@gmail.com : Jahidul Islam : Jahidul Islam
  3. savarnews24@gmail.com : savarnews24 :
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
সাভার নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সবাইকে স্বাগতম >> আপনার আশপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা জানাতে আমাদের মেইল করুন। ই-মেইল : savarnews24@gmail.com
শিরোনাম :
ভাকুর্তা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজী লিয়াকতের মোটর শোভাযাত্রা সাভারে র‌্যাবের হানা খাদ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক উদ্ধার ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ (ভিডিও) মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ প্রকাশ বর্তমান নির্বাচন কমিশনার পুরোপুরি ব্যর্থ: এম সাখাওয়াত হোসেন বেদে মনতাজের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান তুরাগে নৌকাডুবি : মৃতের পরিবার পাবে ২০ হাজার টাকা সিংগাইরের চান্দহর ইউনিয়নে নারী কোঠায় আ.লীগের মনোনয়ন চান শোভা ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার সিংগাইরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

শুধু নামেই ‘আধুনিক মেডিকেল সেন্টার’

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৬ বার পড়েছেন

অসুখ নিয়ে গেলে সময়মতো মেলে না চিকিৎসা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই চলে যান চিকিৎসক। সব চিকিৎসক আবার ঠিকমতো আসেন না। ফ্রি ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ ওষুধ কিনতে হয় বাইরে থেকে। নেই রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা, ইসিজি কক্ষ ও প্যাথলজি ল্যাব। তবু নাম আধুনিক মেডিকেল কলেজ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার একমাত্র নিজস্ব চিকিৎসা সেন্টার। এতসব সমস্যা ও অভিযোগ নিয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক মেডিকেল সেন্টারে আধুনিক চিকিৎসাসেবার কিছুই নেই। এছাড়া মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে চিকিৎসক চলে যাওয়া, লিখে দেওয়া অধিকাংশ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেডিকেল সেন্টারটিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কয়েকটি উপকরণ থাকলেও রক্ত পরীক্ষা, ইসিজি কক্ষ ও প্যাথলজি ল্যাবের ব্যবস্থা নেই। তবে এরই মধ্যে ২০২০-২১ সেশনের বাজেটে এসব আধুনিক যন্ত্রাদি কেনার বাজেট থাকলেও সেই টাকা ইউজিসিতে ফেরত গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মেডিকেল সেন্টারটিতে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন মাত্র একজন চিকিৎসক। সেখানে তিনজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলেও বাকি দুজন নিয়মিত আসেন না। এতে বর্তমানে কর্মরত চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ।

jagonews24

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন ডা. ফখরুল ইসলাম। তিনি নিয়মিত আসেন না। তার সঙ্গে কথা বলার জন্য কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জানান, ডা. ফখরুল ইসলাম চাকরি ছাড়ার জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন।

আরেক চিকিৎসক ডা. মো. রাকিব হোসেন খান। তিনিও নিয়মিত আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে সরাসরি দেখা করতে বলেন।

এ বিষয়ে কর্মস্থলে নিয়মিত থাকা একমাত্র চিকিৎসক মিতা শবনম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আমি একাই আছি। মাঝে মধ্যে রোগীর চাপ এত বেশি থাকে যে একা হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে চিকিৎসা নিতে আসা শিক্ষার্থীরাও পড়েন ভোগান্তিতে।

বাকি দুজন চিকিৎসকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্য দুজন নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও অফিসে নিয়মিত আসেন না। সবকিছু আমাকেই করতে হয়।

এছাড়া মেডিকেল সেন্টারটিতে অন্য স্টাফ রয়েছে মাত্র তিনজন। তারা সবাই নিয়মিত আসেন।

জবির পুরোনো মেডিকেল সেন্টারটি মাত্র একটি কক্ষে সীমাবদ্ধ ছিল। সেখানে প্যারাসিটামল ও সর্দির ওষুধ ছাড়া আর কিছুই পেতেন না শিক্ষার্থীরা। ছিল না আধুনিক কোনো সরঞ্জাম। মেডিকেল সেন্টারটি উন্নয়নের জন্য কয়েক দফা আন্দোলন ও অনশন করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরই মধ্যে করোনার প্রকোপ বাড়লে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে পুরোনো মেডিকেল সেন্টার স্থানান্তর করে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে আধুনিক সরঞ্জামাদিসহ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত আধুনিক সরঞ্জামাদি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে উদ্বোধন করেন সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। সেটিরই নাম হয় ‘আধুনিক মেডিকেল সেন্টার’।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদদের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান জাহিন বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য এই মেডিকেল সেন্টারটি মোটেই প্রস্তুত নয়। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, জরুরি পরিস্থিতির জন্য পর্যাপ্ত সেবার ব্যবস্থা নেই। মেডিকেল সেন্টারটি আধুনিক হয়ে উঠতে পারেনি। আমরা এরই মধ্যে দাবি জানিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগেই এই মেডিকেল সেন্টারে পিসিআর ল্যাব, কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করতে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সে অনুযায়ী আমাদের আশ্বাস জানিয়েছে।

jagonews24

এ বিষয়ে সাত দফা আন্দোলনের সমন্বয়ক তৌসিব মাহমুদ সোহান বলেন, আমাদের যে মেডিকেল সেন্টার আছে সেটা নামেই মেডিকেল সেন্টার। মেডিকেল সেন্টারের এমন দুর্দশার সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। এর আগে আরও কয়েকবার মেডিকেল সেন্টার ঠিক করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে আর তা হয়ে ওঠেনি। এবার অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হুঁশ হবে আশা করি।

মেডিকেল সেন্টারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণের পরিচালক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, আমরা মেডিকেলের বিষয়টা নিয়ে ভাবছি। অন্তত প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য যেন শিক্ষার্থীরা ভালো মানের সেবা পায় সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, মেডিকেলের এ অবস্থার কারণ কী সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো জবাব নেই। ডাক্তারদের মধ্যে একজন চাকরি ছাড়ার জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন। কিন্তু আরেকজন কেন নিয়মিত আসছেন না, আমি জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও খবর :