1. jahidul.savarnews24@gmail.com : News Editor : News Editor
  2. jahidul.moviebangla@gmail.com : Jahidul Islam : Jahidul Islam
  3. savarnews24@gmail.com : savarnews24 :
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
সাভার নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সবাইকে স্বাগতম >> আপনার আশপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা জানাতে আমাদের মেইল করুন। ই-মেইল : savarnews24@gmail.com
শিরোনাম :
ভাকুর্তা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজী লিয়াকতের মোটর শোভাযাত্রা সাভারে র‌্যাবের হানা খাদ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক উদ্ধার ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ (ভিডিও) মননোয়ন বঞ্চিত ২বারের চেয়ারম্যান এর ক্ষোভ প্রকাশ বর্তমান নির্বাচন কমিশনার পুরোপুরি ব্যর্থ: এম সাখাওয়াত হোসেন বেদে মনতাজের শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন ডিআইজি হাবিবুর রহমান তুরাগে নৌকাডুবি : মৃতের পরিবার পাবে ২০ হাজার টাকা সিংগাইরের চান্দহর ইউনিয়নে নারী কোঠায় আ.লীগের মনোনয়ন চান শোভা ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার সিংগাইরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

বাল্যবিয়ের পরও স্কুল ছাড়েনি লোপারা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৪ বার পড়েছেন

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় লোপার। কিশোরী বয়সেই বধূ সেজে যেতে হয় স্বামীর সংসারে। তবে এরপরও স্কুল ছাড়েনি লোপা। মহামারির দেড় বছরের মাথায় স্কুল খুলে দিলে নিয়মিতই ক্লাসে যাচ্ছে লোপা।

তার ইচ্ছে এসএসসি পাসের পর নাসিংয়ে পড়াশোনা করে মানবসেবায় নিয়োজিত হওয়ার। সেই ইচ্ছে পূরণে নিয়মিত ক্লাসে যাচ্ছে সে।

লোপা আক্তার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ ফজিলাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী সংগ্রামপুর গ্রামের সেলিম মিয়ার মেয়ে। বাবা সেলিম মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি আর মা শাহিনা আক্তার গৃহিণী।

স্থানীয়রা জানায়, দুই বোনের মধ্যে লোপা বড়। ছোট বোন সোনালীও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তবে পারিবারিক অস্বচ্ছলতা আর দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার কারণে বিয়ে পিঁড়িতে বসতে হয়েছে লোপাকে।

jagonews24

বাল্যবিয়ের শিকার শুধু লোপা আক্তারই নয়, ওই বিদ্যালয়েই রয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী মাফিয়া, রেমি খানম, সুমি আক্তার মৌটুসি, মোহনা আক্তার, মিতু আক্তার, রিয়া আক্তার ও দশম শ্রেণির ছাত্রী মোর্শেদা খাতুন, সানিয়া আক্তারও। তবে বাল্যবিয়ের ঝাপটায় স্বপ্ন নিভে যেতে দেবে না এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

লোপা আক্তার বলেন, তার অমতেই বাবা-মা একই উপজেলার চৈথট্ট গ্রামে বিয়ে দেয়। প্রতিবাদ করলেও শুনেননি বাবা-মা। তার পক্ষে দাদা ও কাকা প্রতিবাদ করলেও কোনো কাজ হয়নি। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষ মুহূর্তে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের শর্তে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে।

লোপা বলেন, পারিবারিক চাপের মুখে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি। তবে বাল্যবিয়ের ঝাপটায় আমার স্বপ্ন ভেঙে যেতে দেব না। স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি অটুট। প্রত্যেকটি বিদ্যালয় ও গ্রামে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে আলোচনার ব্যবস্থা করা হলে অনেকেই বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলেও জানায় সে।

jagonews24

বাল্যবিয়ের শিকার ছাত্রী মৌটুসি আক্তার বলেন, সামাজিক পেক্ষাপট ও বাবা-মার কারণেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে। আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই, স্বামীর সংসার থেকে এখনও বাঁধা আসেনি। প্রত্যাশা পূরণ হবে কি-না তা নিয়ে সংশয়ে আছি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বোরহান উদ্দিন জানান, বিয়ের পর অনেক মেয়েরই লেখাপড়া বন্ধ করে দেন তাদের পরিবার। নানা বাঁধার কারণে তাদের বিদ্যালয়ে ফেরানো সম্ভব হয় না। বিয়ের পরও যারা বিদ্যালয়ে এসেছে আমরা তাদের উৎসাহিত করবো।

এ বিষয়ে শেখ ফজিলাতুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি বেগম জানান, করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ের ২০ জন ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে। তবে এরমধ্যেও অন্তত ১৫ জন ছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করছে। বিয়ের পরও তারা লেখাপড়া চালিয়ে যেতে বিদ্যালয়ে এসেছে এটাই খুশির সংবাদ। যা নারী শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের মনোবল অটুট রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি এটি দূর করতে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও খবর :