1. jahidul.savarnews24@gmail.com : News Editor : News Editor
  2. jahidul.moviebangla@gmail.com : Jahidul Islam : Jahidul Islam
  3. savarnews24@gmail.com : savarnews24 :
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
সাভার নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সবাইকে স্বাগতম >> আপনার আশপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনা জানাতে আমাদের মেইল করুন। ই-মেইল : savarnews24@gmail.com
শিরোনাম :

ধামরাইয়ে রাস্তার দুই পাশের ৬৫টি গাছ কেটে বিক্রি নাজমুল হুদা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯৮ বার পড়েছেন

ধামরাইয়ে রাস্তার দুই পাশের ৬৫টি গাছ কেটে বিক্রি নাজমুল হুদা , সাভার : ঢাকার ধামরাই উপজেলায় একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তার দুই পাশের ৬৫টি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছ কর্তনের সরঞ্জামসহ কেটে ফেলা ২৫ গাছ জব্দ করেছেন ধামরাই উপজেলা পরিষদের বন কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় রোববার উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মোমিন ধামরাই থানায় মামলার এজাহার দিয়েছেন। এজাহারে চারজনের নাম দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন বেসরকারি সংস্থা সমাজ ও জাতি গঠনের (সজাগ) পরিচালক আবদুল মতিন, কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, গাছ ক্রেতা মো. হালিফ আলী ব্যাপারী ও শধু ব্যাপারী। মোতালিব আল মোমিন জানান, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বান্নাখোলা বাজার থেকে পথহারা সেতু পর্যন্ত সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে মর্মে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় দেখা যায়, সরকারি রাস্তার দুই পাশ থেকে ২৫টি গাছ কেটে একটি ছোট মাঠে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া চাপিল থেকে নওগাঁও পর্যন্ত সরকারি রাস্তার দুই পাশ থেকে ৪০টি গাছ কেটে বিক্রি করা হয়ে গেছে। প্রায় ২৫ বছর বয়সের মোট ৬৫টি মেহগনিগাছ ৯ লাখ টাকায় শধু ব্যাপারী ও মো. হানিফ আলী ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেছেন সমাজ ও জাতি গঠনের (সজাগ) কর্মকর্তারা। গাছ ক্রেতা মো. হানিফ আলী বলেন, ‘আমরা তো দোষ করি নাই। সজাগের ম্যানেজার মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে দুজনে ৯ লাখ টাকা দিয়া গাছ কিনছি। গাছ কিনা অহন বিপদে পড়লাম। তারা যে আকাম কইরা রাখছে, এইডা তো আর আমরা জানি না। বেসরকারি সংস্থা সজাগের নির্বাহী পরিচালক আবদুল মতিন বলেন, ‘১৯৯১-৯২ সালে কাজের বিনিময়ে খাদ্য প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন রাস্তার পাশে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়। রাস্তাগুলো ব্যক্তিগত জায়গার ওপর দিয়ে করা হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় মেম্বাররা রাস্তা প্রশস্ত করা হবে জানিয়ে গাছ কাটতে বললে আমরা স্থানীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলে গাছগুলো বিক্রি করেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা উপকারভোগী হিসেবে উপজেলা পরিষদ, রক্ষণাবেক্ষণকারী ও নিজেদের প্রতিষ্ঠানকে রেখেছি।’ উপজেলা বন কর্মকর্তা মোতালিব আল মোমিন বলেন, সামাজিক বনায়ন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গেজেট ফরম ‘খ’ বিধি অনুযায়ী ৫-এর ‘ক’তে আবেদন করতে হয়। গাছ কর্তনের ক্ষেত্রে ফরম ৩-এ আবেদন করতে হবে। সংস্থাটির কোনো ধরনের চুক্তিপত্র বা নথি নেই। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তারা গাছ রোপণ করে পরে তা বিক্রি করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই বলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিলাম ব্যতীত কোনোভাবেই সরকারি রাস্তার পাশ থেকে গাছ কাটার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, উপজেলা বন কর্মকর্তা এজাহার দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন

নিউজটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও খবর :