মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমান্ত এলাকায় শনিবার রাতভর বিমান হামলা ও ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আতঙ্কে রাত কাটিয়েছেন উখিয়া, টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ির কয়েক হাজার বাসিন্দা। তবে কোনো গোলা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এসে পড়েনি বলে জানিয়েছে বিজিবি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, রাত ১১টা থেকে ভোর পর্যন্ত ওপারে থেমে থেমে মর্টারশেল ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। উখিয়ার পালংখালী ও রাজাপালং, টেকনাফের হোয়াইক্যং এবং নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে এসব শব্দ শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে।
সীমান্ত সূত্র জানায়, শনিবার রাতে রাখাইন রাজ্যের বলিবাজার এলাকায় আরাকান আর্মির অবস্থানে জান্তা বাহিনী বিমান হামলা চালালে পাল্টা সংঘর্ষ শুরু হয়। ভোররাত পর্যন্ত বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বলিবাজার এলাকার বিপরীতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ও উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন অবস্থিত।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৬৪ বিজিবি) উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জসীম উদ্দিন বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও বাংলাদেশের ভেতরে কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি এবং পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
এর আগেও চলতি মাসে একাধিকবার রাখাইন রাজ্য থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে, যার মধ্যে কয়েকটি গুলি সীমান্তবর্তী এলাকায় এসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছিল। সীমান্তে নতুন করে সহিংসতা বাড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।










