| | |

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাবুর দাফন সম্পন্ন

নাজমুল হুদা

ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাভারের আমিনবাজারের বাসিন্দা আহম্মেদ বাবুকে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে আমিনবাজারের হিজলা ৬ মসজিদ বালুর মাঠে জানাজা শেষে বরদেশী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় বলে জানান নিহতের মেজো ভাই মনির হোসেন।

এর আগে শনিবার বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আহম্মেদ বাবুসহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত অন্যান্য বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রোববার ভোরে আহম্মেদ বাবুর কফিনবন্দি মরদেহ নিয়ে আমিনবাজারে পৌঁছান তার ভাই মনির হোসেন। মরদেহ বেগুনবাড়ি এলাকার বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সন্তানহারা মায়ের কান্না ও স্বজনদের আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

আহম্মেদ বাবুর মরদেহ একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। প্রতিবেশীরা জানান, শান্ত ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে এলাকায় তার সুনাম ছিল।

৩৭ বছর বয়সী আহম্মেদ বাবু বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার স্ত্রী, আট বছরের মেয়ে রোজা ও পাঁচ বছরের ছেলে সোয়াদ রয়েছে।

বেগুনবাড়ি এলাকার এমএ হোসেন টাওয়ারে ‘কিউট কসমেটিক্স’ নামে একটি প্রসাধনীর দোকান পরিচালনা করতেন বাবু। দোকানের জন্য প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে তিনি কলকাতায় গিয়েছিলেন।

নিহতের মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, গত সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় যান বাবু। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। কিন্তু হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে ফোন করে বাবুর মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানানো হয়। পরে হাইকমিশন থেকে পাঠানো ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ