বাজেট অনুমোদন ও টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মনপুরা লেক সংলগ্ন ও গেরুয়া এলাকার সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কাজের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে এস্টেট ও প্রকৌশল অফিস একে অপরকে দায়ী করছে। বৃষ্টি ও সার্ভেয়ার নিয়োগসহ নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্মাণকাজ আটকে আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, টেন্ডার চূড়ান্ত হওয়ার পর গত ৩১ মার্চ কাজের আদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) দেওয়া হয়। এতে ‘কোবা আরডি’ ও ‘মেসার্স আজমস’ নামে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় মনপুরা লেক সংলগ্ন এলাকায় ১ হাজার ৫০০ ফুট এবং গেরুয়া সংলগ্ন এলাকায় ৭৫০ ফুট সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কথা রয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে গত ৫ জুলাই গেরুয়া গেট এলাকায় মেসার্স আজমসকে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
প্রকল্প কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. আশিকুর রহমান বলেন, সার্ভেয়ার নিয়োগ করতে না পারায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতা শেষ হয়েছে। এখন সার্ভেয়ার নিয়োগ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। বৃষ্টির কারণেও কাজ কিছুটা আটকে রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর সঙ্গে সৃষ্ট বিরোধ মীমাংসার পরও সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করতে গেলে নতুন করে নানা জটিলতা ও ঝামেলা তৈরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মো. সোহেল রানা দ্রুত কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়ে বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এদিকে প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য এর আগে আরও তিনটি বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে মীর মশাররফ হোসেন হল গেট থেকে বিপিএটিসি এবং ডেইরি গেট পর্যন্ত রাস্তার সীমানা প্রাচীর উঁচুকরণ কাজও রয়েছে।









