ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
হাই কোর্ট মাজার গেইট সংলগ্ন ট্রাইব্যুনালের ফটকে রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
আইনজীবী, সাংবাদিক ও ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ করতে হয়েছে পরিচয়পত্র দেখিয়ে।
বিজিবির নায়েক সুবেদার মো. হাবিবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তাদের ২০ সদস্যের একটি দল দায়িত্ব পালন করছে। রাতেও থাকবেন, সোমবারও থাকবেন।
সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তারা স্বাভাবিক সময়ে ১১৯ জন দায়িত্ব পালন করেন। এখন রয়েছেন ২২০ জন পুলিশ, ১২৩ জন এপিবিএন সদস্য।
বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করবে।
ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক হলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আন্দোলন দমনে ১৪০০ জনকে হত্যার উসকানি, প্ররোচনা ও নির্দেশ দান, ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসেবলিটি’ এবং ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের’ মোট পাঁচ অভিযোগে গত ১০ জুলাই তিন আসামির বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ অগাস্ট ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যান। আসাদুজ্জামান খান কামালও ভারতে আছেন বলে ধারণা করা হয়। তাদের পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলে।
প্রসিকিউশন তাদের দুজনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি আদালতের কাছে প্রেয়ার করেছি। আদালত তার সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন এবং আমাদের পক্ষ থেকে প্রেয়ার হচ্ছে যে এই অপরাধের দায়ে আসামিদের যেন সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়।”










