ঢাকার ধামরাইয়ে পর্নোগ্রাফি ও নারী নির্যাতন-সংক্রান্ত মামলার আসামি গ্রেপ্তারে গেলে পুলিশের ওপর দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় যুবদল নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পলাতকসহ ১৫-১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ও দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ধামরাই পৌরসভার পাঠানটোলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত হয়েছেন পুলিশ সদস্য আইয়ুব আলী, শামীম আল মামুন, মো. কাশেম হোসেন ও আব্দুস সামাদ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সৈয়দ ইউসুফ আলী প্রান্ত (৩০) ও নাইম ইসলাম (৪০)। তারা উভয়েই পাঠানটোলা এলাকার বাসিন্দা। নাইম ইসলাম ধামরাই উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি মামলার দুই আসামি প্রান্ত ও তার স্ত্রী আনিকা রায়হান সূচনাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় ধামরাই থানা-পুলিশ। এ সময় আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশকে হুমকি দেয় এবং বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়, এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের ওপরও আবার হামলা চালানো হয়। এতে আরও দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামিদের থানায় নেওয়ার সময় তাদের সহযোগীরা পুলিশের পিকআপের গতিরোধ করে এবং পুলিশ সদস্য মো. আইয়ুব আলীর পোশাক ছিঁড়ে ফেলে। আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানান, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও মারধরের অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।










