কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে নতুন বসতি গড়ে তুলেছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট।
পাহাড় কেটে তৈরি করা এসব বসতি রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে যৌথবাহিনীর অভিযানে উখিয়ার বালুখালী এলাকা থেকে অন্তত দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।
উখিয়ার বালুখালীর মরাগাছতলা এলাকা চারপাশে পাহাড়ঘেরা হলেও ভেতরের চিত্র ছিল ভিন্ন।
পাহাড় কেটে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে প্রায় ৩৫০টি অবৈধ বসতি, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে হাজারো রোহিঙ্গা বসবাস করছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এসব বসতিতে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে জনপ্রতি দুই থেকে তিন হাজার টাকা করে ভাড়া আদায় করত। শুধু তাই নয়, ওই এলাকায় মাদক ব্যবসাও চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে মরাগাছতলা এলাকা ঘিরে যৌথবাহিনী অভিযান শুরু করে।
অভিযান চলাকালে বসতিগুলোতে তল্লাশি চালানো হলে শত শত রোহিঙ্গা বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। এসময় ৩৫০ বসতি থেকে প্রায় দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে বসতি ভাড়া দেওয়া মালিক পক্ষের কয়েকজনকেও আটক করা হয়েছে। তারা রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিয়ে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজু বিন আফনান জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আটক রোহিঙ্গাদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের মাধ্যমে পুনরায় নিবন্ধিত ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। অভিযানে আটক সাতজনের মধ্যে পাঁচজনকে অর্থদণ্ড এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।










