কিশোরগঞ্জের ভৈরবে খাবার হোটেলের গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ১০ জন শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া চরপাড়া মেঘনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দগ্ধদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ১২ জনকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান। সেখানে চিকিৎসা শেষে শুক্রবার ৭ জনকে বাড়ি পাঠানো হয়। বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন-হারুন মিয়া, আব্দুল হেকিম, সামিমুল, নিরব ও রাহাদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের মতো দোকান মালিক লুন্দিয়া টুকচানপুর গ্রামের বাসিন্দা জহির মিয়া খাবার বিক্রি শেষ করে দোকান ঘর বন্ধ করে বের হয়ে যান। বন্ধ দোকানে ভেতর থেকে শব্দ শুনে পার্শ্ববর্তী দোকানদার হারুন মিয়া ও সিদ্দিক মিয়া জহিরের হোটেলের সাটার খুলে ভেতরে গিয়ে দেখেন সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হচ্ছে। এ সময় হারুন গ্যাসের সিলিন্ডারের সুইচটি বন্ধ করতে গেলে বিস্ফোরণে তার গায়ে আগুন লেগে যায়। এ সময় সিদ্দিকসহ দোকানের সামনে থাকা পথচারী এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দগ্ধ হয়।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানান, আহতদের মধ্যে হারুন মিয়ার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তার অবস্থা সংকটজনক। প্রত্যক্ষদর্শী শফিকুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ রাস্তার ওপর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। চোখের সামনে কয়েকজন মানুষ আগুনে পুড়তে দেখি। পরে জানতে পারি গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুন ছড়িয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর বলেন, অগ্নিদগ্ধ ১৯ জন হাসপাতালে আসে। একজনের শরীরের ৮০ শতাংশ এবং অন্যদের ২০-৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।










