বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে তার মেয়ে শামারুহ মির্জা সম্প্রতি ফেসবুকে এক হৃদয়স্পর্শী ও প্রতিবাদী পোস্ট দিয়েছেন। তার পোস্টটি নেট-দুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ।
সামারুহ মির্জা তার পোস্টে গভীর বিস্ময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেন ২০২৪ সালের আগস্টের পর তার বাবার বিরুদ্ধে একের পর এক ভিত্তিহীন অভিযোগ, চরিত্রহনন এবং মানসিক নিপীড়ন চালানো হচ্ছে? তিনি কয়েকটি প্রশ্ন ছুড়েছেন, যার মাধ্যমে মির্জা ফখরুলের সততা ও জনস্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারকে দৃঢভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।
‘তিনি কি অসৎ? না। তিনি কি ঘুষখোর? না। তিনি কি জনবিরোধী? না। তিনি কি জুলাই বিরোধী? না…।
এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কখনোই কোনো অসৎ কাজ বা জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।
ফেসবুকে মির্জা ফখরুলের মেয়ে যা লিখেছেন : পাঁচই আগস্ট ২০২৪-এর পরে বাংলাদেশে একের পর এক মিথ্যাচার, চরিত্র হনন এবং মানসিক অত্যাচার কী কারণে? তিনি কি অসৎ? না। তিনি ঘুষখোর, না। তিনি কি ছোটলোক? না। ৩৬ জুলাইবিরোধী? না।
বিএনপি আমলে ঠাকুরগাঁওয়ের ভালোর জন্য এমন কিছু নেই তিনি করেননি। কৃষি প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় বরেন্দ্র প্রকল্প করেছেন। বিমানে যখন ছিলেন, বিমান ফিক্স করেছেন। ২০০৭-এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার তন্ন তন্ন করেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দু খুঁজে পায়নি। উত্তর-অধিকার সূত্রে পাওয়া সব জমি দান করেছেন, লিটেরলি আর কিছু নাই।
আমাকে শুনতে হয়েছে ‘রাজাকারের নাতনি’? এদের প্রোফাইলে বাণী কিংবা মুজিবের ছবি। আসলেই ইসলামটাকে এর কোথায় নিলো। হাসিও পায়, ৫৫ বছর পর আব্বুকে বলতে হয় আমার দাদা কোথায় ছিলেন, ইসলামপুরের রিফিউজি ক্যাম্পে।
প্রবল আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন আমার বাবার কেমন লাগে আমি বুঝি। এই নোংরামিতে আমাদের কিছুই যায় আসে না। আমাদের শরীরে কিংবা মনে এক ইঞ্চি নোংরা লাগে না।
দুঃখ লাগে এ জাতির জন্য। এই নতুন বাংলাদেশে এই তরুণ সমাজকে যারা এই নোংরা কাদায় ডুবিয়ে মারল, যত সুন্দর, যত স্বপ্ন, যত আশা, যত বড় হয়ে উঠি এরা নোংরা করল। এই লেখার পরে আরো নোংরামি হবে।
এর জবাব আল্লাহ জানেন। আল্লাহ নওজ দ্যা বেস্ট। যে জাতি যেমন, আল্লাহ তার শাসক দেয় তেমন। দেখা যাক।










