ঢাকার আশুলিয়ায় পোশাককর্মী সীমা আক্তার হত্যা মামলায় তার স্বামী রেজাউল করিম মাতবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায়ের সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জিয়া জানান, মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই রেজাউল পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় আট বছরের মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন রেজাউল ও সীমা দম্পতি। সীমা একটি পোশাক কারখানায় কাজ করলেও রেজাউল কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না। কাজ করার কথা বললেই সীমার ওপর নির্যাতন চালাতেন তিনি।
২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল ভোরে পারিবারিক কলহের জেরে সীমাকে মাথায় আঘাত করার পর গলা কেটে হত্যা করেন রেজাউল। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাড়ির মালিক তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ ঘটনায় ওই দিনই সীমার বাবা জাহিদুল ইসলাম আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন রেজাউল।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ আগস্ট আশুলিয়া থানার এসআই ওমর ফারুক আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারি আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।










