ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক মো. আলতাব হোসেন (৫৮) হত্যা মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আমিনবাজার, কুমিল্লা ও মৌলভীবাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়া এলাকার আরিফের ছেলে গোলাম রাব্বী (২২), মৃত হাচ্চু মিয়ার ছেলে কাশেম (৩৩) ও ডালিম হাজির ছেলে জিৎ (২২)। রাব্বীকে আমিনবাজার থেকে, কাশেমকে কুমিল্লা থেকে এবং জিৎকে মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. জাকির আল আহসান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত ছয়জনকে পাঁচ দিন এবং দুজনকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার র্যাব আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ, ইমরান, নূর মোহাম্মদ রুদ্র, ছাব্বির আহমেদ, মো. ওয়াসিম ও রাকিকে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করে। এর আগে ভোরে পুলিশ গোলাম রাব্বীকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই নয়জনকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ, ইমরান, নূর মোহাম্মদ রুদ্র ও গোলাম রাব্বীকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সোমবার গ্রেপ্তার বিল্লাল ও দেলোয়ারকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ছাব্বির আহমেদ, মো. ওয়াসিম ও রাকির রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাদের কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ঘটনার রাতে গ্রেপ্তার জহুরুলকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাতে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী মদিনা সিটি এলাকায় একদল যুবকের হামলায় এসবি উপপরিদর্শক মো. আলতাব হোসেন নিহত হন। পরদিন দুপুরে নিহতের স্ত্রী শিউলী পারভীন সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।









