বুধবার | ২২ এপ্রিল, ২০২৬ | ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৪ জিলকদ, ১৪৪৭

এশিয়া কাপ

পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক

পাকিস্তানের বিপক্ষে মহারণ ৭ উইকেট ব্যবধানে জিতেছে ভারত। আজ রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ১২৭ রান। প্রতিপক্ষের মামুলি সংগ্রহ ২৫ বল হাতে রেখেই টপকে যায় ভারত।

এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে এশিয়া কাপে সুপার ফোরের পথে এক পা বাড়িয়ে রাখল গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা। টানা দুই জয়ে তাদের অর্জিত পয়েন্ট ৪। সমান ম্যাচ খেলে ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

মহারণে ২৫ হাজার আসনবিশিষ্ট দুবাই স্টেডিয়ামে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত হয়। ভারতীয়দের বয়কটের আহ্বান, দুবাইয়ের গরম এবং টিকিটের বাড়তি দাম- এসব কারণেই গ্যালারিতে খালি ছিল আসন। যেখানে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল ভারতীয় সমর্থকদের দাপট। শুরুটা মোটেও আশাব্যঞ্জক ছিল না পাকিস্তানের। ম্যাচে হার্দিক পান্ডিয়ার প্রথম ডেলিভারিটি ছিল ওয়াইড। পরের বলটি ভাসিয়ে দেন বাতাসে, যা প্যাভিলিয়নে তুলে নিয়ে যায় সাইম আইয়ুবকে। শট খেলতে গিয়ে জাসপ্রিত বুমরাহকে ক্যাচ দেন।

পরের ওভারের বুমরাহর দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ হারিস বল উড়িয়ে মারেন আকাশে। সেই ক্যাচ নেন আবার পান্ডিয়া। একই ওভারে ফখর জামানকে এলবির ফাঁদে ফেলেছিলেন বুমরাহ। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান পাকিস্তানি ব্যাটার। এরপর শাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গে নিয়ে ৩৯ রানের প্রতিরোধ গড়ে তুলেন ফখর। তাকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন অক্ষর প্যাটেল। অধিনায়ক সালমান আলি আঘাকে (৩) প্যাভিলিয়নে ফেরান এই স্পিনার। এক পর্যায়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ৯৮ রান।

শাহিন শাহ আফ্রিদির ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ দিকে আরও কিছু রান যোগ হয় তাদের খাতায়। ১৬ বলে ৪ ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ভারতের হয়ে ৩টি উইকেট পান কুলদীপ যাদব, অক্ষর ও বুমরাহ ২টি করে এবং পান্ডিয়া ও বরুন ১টি করে উইকেট শিকার করেন। এরপর ব্যাটিংয়ে দানব হয়ে উঠেছিলেন অভিষেক শর্মা। ১৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩১ রান করা এই ওপেনারকে থামান সাইম। শুভমান গিলকেও (১০) তিনি আউট করেন। পুরো ম্যাচে পাকিস্তানের সাফল্যের গল্প সীমাবদ্ধ ছিল এতটুকুতেই।

পাকিস্তানের ব্যর্থতার দিনে সাইম আরও একটি উইকেট শিকার করেন। বোল্ড করেন তিলক বর্মাকে। ততক্ষণে জয়ের খুব কাছে চলে যায় ভারত। দলীয় ৯৭ এবং ব্যক্তিগত ৩১ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিলক। বাকি পথটুকু শিভম দুবেকে সঙ্গে নিয়ে অনায়াসেই পাড়ি দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তিনি অপরাজিত ছিলেন ৪৭ রানে। তার ৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ৫ চার এবং ১ ছক্কার মার। দুবের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান (৭ বলে ১ ছক্কায়)।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ

  • Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
     12345
    6789101112
    13141516171819
    20212223242526
    27282930