ঢাকার সাভারের ফাইলেরিয়া হাসপাতাল প্রকল্পের সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকল্প পরিচালক ও ঠিকাদারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংস্থাটির একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র।
২০২৪ সালের ২১ এপ্রিল দুদকের উপপরিচালক রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন— ঠিকাদার ও রাকাব ট্রেড কর্পোরেশনের মালিক মো. হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী মিসেস নাসিমা আক্তার, প্রকল্প পরিচালক ও সাবেক ডেপুটি চিফ এএনএম রোকনুদ্দিন, প্রাক্তন প্রকল্প পরিচালক মো. হারুন অর রশীদ, আইএসিআইবির প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল হক, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক মো. সাব্বির ইমাম, সারা ট্রেড করপোরেশন ও উপকূল ট্রেডার্সের মালিক হেলালউদ্দিন, জীবন আফরোজ এন্টারপ্রাইজের মালিক কাজী বোরহান সাদেক মামুন, আইএসিআইবির সাবেক ম্যানেজার (অর্থ ও হিসাব) ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব খাজা আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ এবং মেসার্স তাহিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. জহিরুল হায়দার।
তদন্তে জানা গেছে, ‘এস্টাব্লিশমেন্ট অব আ ফিফটি বেডেড ফাইলেরিয়া হসপিটাল উইথ অ্যানসিলারি ফ্যাসিলিটিজ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাকাব ট্রেড করপোরেশন ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক সলভেন্সি সনদ, পে-অর্ডার ও কাজের অভিজ্ঞতার সনদ দাখিল করে কাজের আদেশ নেয়। পরে টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী কাজ না করে, অসমাপ্ত অবস্থায় হাসপাতাল হস্তান্তর ছাড়াই তারা সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করে।
ফলে প্রায় ৩ কোটি ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৮০৯ টাকা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে দেখা গেছে, নিম্নমানের নির্মাণকাজের কারণে ভবনের দেয়ালে ফাটল ধরেছে এবং সেনেটারি, ইলেকট্রিক্যাল ও আসবাবপত্রের কাজেও ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে।










