বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়। বেলা দুইটার দিকে মাথায় হেলমেট পরিয়ে তাঁকে আদালতের এজলাস কক্ষে নেওয়া হয়।
দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম শুনানিতে বলেন, কলিমুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট নির্মাণে দুর্নীতি করেছেন। নিয়োগ–বাণিজ্য করে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল নির্মাণে নকশা বদল এবং ঠিকাদারকে অবৈধভাবে ঋণ দেওয়ার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ৩৫ মিনিট শুনানি শেষে আদালত অধ্যাপক কলিমুল্লাহকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
রিমান্ডের আদেশ শুনে কলিমুল্লাহ বিমর্ষ হয়ে পড়েন এবং নিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আদালত দুদককে তাঁকে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।
পরে বিকেল পৌনে চারটার দিকে তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ভ্যানে ওঠার সময় কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। দুদক যেন নখদন্তবিহীন ব্যাঘ্র না হয়।”
উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত জুন মাসে তাঁর বিরুদ্ধে চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা করে দুদক।










