পরিবার পরিকল্পনার ইন্সপেক্টর মেহেদী হাসানকে হানি ট্রাপে ফেলে একটি অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মিনি চিড়িয়াখানার সামনে পাকা রাস্তার উপর তাকে অপহরণ করা হয়।
অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা ভিকটিমকে আটকে রেখে তার মাধ্যমে তার পরিবারের নিকট হতে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। বিষয়টি ভিকটিমের পরিবার ৯৯৯ এর মাধ্যমে সাভার মডেল থানাকে জানালে সাভার মডেল থানার একটি টিম উদ্ধার অভিযান কার্যক্রম শুরু করেন।
উক্ত টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় টানা ২০ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে ইং ০৩/১০/২০২৫ তারিখ দুপুর ০১.৩০ সময় সাভার মডেল থানাধীন জামশিং এলাকা থেকে ভিকটিম মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করেন এবং উক্ত হানী ট্র্যাপের ঘটনায় নারী সদস্যসহ মোট ০৪ জন অপহরণকারী চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- রংপুরের পীরগাছা থানার শরিফুল (২৫), জয়নাল (২৫), ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জের আনমনা ওরফে মোহনা (১৯), ও কাওসার হোসেন কনক (২০)।
এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের নিকট হতে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত একটি লেগুনাগাড়ি জব্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, ‘এরা একটি সঙ্ঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে হানি ট্র্যাপ সহ বিভিন্নভাবে মানুষকে ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করে আসছিলো।এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলমান আছে। আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবির গতকাল দুপুরে সাভার মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অপহরণের শিকার মেহেদীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন মোহনা। পরে কৌশলে বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেদীকে ডেকে নিয়ে অপহরণ করেন এবং ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মোহনাসহ চারজনকে আটক করে এবং অপহরণের শিকার মেহেদী উদ্ধার করে। এ সময় অপহরণের কাজে ব্যবহৃত একটি লেগুনা গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।’










