রবিবার | ৩১ মে, ২০২৬ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৩ জিলহজ, ১৪৪৭

আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

জেলা প্রতিনিধি, নওগাঁ

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নওগাঁর নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে আত্রাই নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে মান্দা উপজেলার কসব ইউনিয়নের তালপাতিলা এলাকার একটি রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় তালপাতিলা গ্রামসহ আশেপাশের চকবালু, চকরামপুরসহ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেশকিছু পরিবার।

রাস্তা ভাঙার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী। এ সময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দেন।

বাসসের সাথে আলাপকালে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বলেন, দিনে ও রাতে নদী সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও জরুরি অবস্থায় করণীয় বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করাসহ নানা বিষয়ে তৎপরতা চলমান রয়েছে।

আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার চকরামপুর, উত্তর চকরামপুর, কয়লাবাড়ী, জোকাহাট, দ্বারিয়াপুর, নুরুল্লাবাদ, পারনুরুল্লাবাদ ও তালপাতিলা এলাকার অন্তত ১০টি বেড়িবাঁধকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের লক্ষ্মীরামপুর, আয়াপুর, পাঁজরভাঙ্গা, পলাশবাড়ী, মিঠাপুর, নিখিরাপাড়া ও গোয়ালমান্দাসহ অন্তত ২০টি পয়েন্টকে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান, আজ শনিবার দুপুরে আত্রাই নদীর জোতবাজার পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং আত্রাই নদীর রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে পানি সমতল বিপদ সীমার ৩১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই আত্রাই ও ছোট যমুনার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দিনে এবং রাতে পরিদর্শন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাউবো সবসময় উপজেলা প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও বাঁধ ভেঙ্গে যায়নি।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ

  • Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031