খুলনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার ( ১৯ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- মেহেদী হাসান মিরাজ (২৩), আল নাঈম (২৫) ও মিরাজ গাজী (২৫)। তাদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ এনসিপি খুলনা জেলা শাখার সদস্য বলে দাবি করেছেন।
পুলিশ জানায়, নগরীর সোনাডাঙ্গার নেসার উদ্দিন সড়কের বাসিন্দা শাহনাজ পারভীনের বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত এসএম শফিকুল ইসলাম সানা চিকিৎসার জন্য গত কয়েকদিন আগে কয়রা থেকে খুলনায় আসেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে তিনজন যুবক ওই বাড়িতে গিয়ে একজন এনসিপির খুলনা জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দেন। তারা ওই বাড়ির মালিককে বলেন, এখানে আওয়ামী লীগের একজন নেতা আত্মগোপনে রয়েছে। একপর্যায়ে ওই বাসায় প্রবেশ করে ওই যুবকরা তাদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় কৌশলে শফিকুল ইসলাম সোনাডাঙ্গা থানায় খবর দিলে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়রা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সানা ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে ছিলেন। বর্তমানে তিনি পরিবারসহ নগরীর সোনাডাঙ্গার নেসার উদ্দিন সড়কের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তিনজন আটক করে থানায় আনা হয়। এদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ নিজেকে এনসিপি খুলনা জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। তবে সকল তথ্য যাচাই-বাছাই করে এনসিপির সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।










