| | |

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব

‘সাভারে এক ছাতার নিচে মিলবে সব ভূমিসেবা’

নাজমুল হুদা

সাভারের সাধারণ মানুষকে ভূমিসেবা নিতে আর বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হবে না। একই ভবনে বা এক ছাতার নিচে ভূমি জরিপ, মিউটেশন (নামজারি)সহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জায়গায় এ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

সিনিয়র সচিব জানান, বহুল প্রতীক্ষিত প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শেষ হলে বর্তমান উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানান্তর করা হবে। এতে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের পর সকাল ৯টার দিকে তিনি সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত দেখতে পান।

পরিদর্শনকালে সাভারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল আমিন জানান, এলাকায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ দাবির শতভাগ আদায় সম্পন্ন হয়েছে।

এ সময় সন্তোষ প্রকাশ করে সিনিয়র সচিব বলেন, “মিউটেশনসহ অন্যান্য ভূমিসেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন। জনগণকে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে দ্রুত ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

পরিদর্শনের সময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের হোল্ডিং ও খতিয়ান এন্ট্রি এবং সংশোধন কার্যক্রমও পর্যালোচনা করেন তিনি। সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় ভূমিসেবা ব্যবস্থায় শতভাগ নির্ভুল ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের আটটি জেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

সিনিয়র সচিব বলেন, ডেটা এন্ট্রি ও সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের ভূমিসেবা ব্যবস্থা আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও জনবান্ধব হবে।

সাভার পরিদর্শন শেষে তিনি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমিনবাজার উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান। সেখানে সেবার মান ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আমিনবাজারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান জানান, সেখানে এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৮৮ শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। বাকি অংশ দ্রুত আদায়ের নির্দেশ দেন সিনিয়র সচিব।

পাশাপাশি তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের দালালচক্র বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।

পরিদর্শনকালে ভূমি মন্ত্রণালয়, সাভার উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে এক ছাতার নিচে মিলবে সব ভূমিসেবা: ভূমি সচিব

সাভারের সাধারণ মানুষকে ভূমিসেবা নিতে আর বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হবে না। একই ভবনে বা এক ছাতার নিচে ভূমি জরিপ, মিউটেশন (নামজারি)সহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জায়গায় এ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

সিনিয়র সচিব জানান, বহুল প্রতীক্ষিত প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শেষ হলে বর্তমান উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানান্তর করা হবে। এতে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের পর সকাল ৯টার দিকে তিনি সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত দেখতে পান।

পরিদর্শনকালে সাভারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল আমিন জানান, এলাকায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ দাবির শতভাগ আদায় সম্পন্ন হয়েছে।

এ সময় সন্তোষ প্রকাশ করে সিনিয়র সচিব বলেন, “মিউটেশনসহ অন্যান্য ভূমিসেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন। জনগণকে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে দ্রুত ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”

পরিদর্শনের সময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের হোল্ডিং ও খতিয়ান এন্ট্রি এবং সংশোধন কার্যক্রমও পর্যালোচনা করেন তিনি। সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় ভূমিসেবা ব্যবস্থায় শতভাগ নির্ভুল ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের আটটি জেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

সিনিয়র সচিব বলেন, ডেটা এন্ট্রি ও সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের ভূমিসেবা ব্যবস্থা আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও জনবান্ধব হবে।

সাভার পরিদর্শন শেষে তিনি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমিনবাজার উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান। সেখানে সেবার মান ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আমিনবাজারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান জানান, সেখানে এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৮৮ শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। বাকি অংশ দ্রুত আদায়ের নির্দেশ দেন সিনিয়র সচিব।

পাশাপাশি তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের দালালচক্র বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।

পরিদর্শনকালে ভূমি মন্ত্রণালয়, সাভার উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted