জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাইরিন ইসলাম খানের দেওয়া বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাকসু নেতৃত্ব। একই সঙ্গে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু ও জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অধ্যাপক নাইরিন ইসলাম খান ‘জাকসু নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে’ বলে যে মন্তব্য করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ব্যালট নম্বর না থাকা, মুড়িবইয়ের অনুপস্থিতি ও অমোচনীয় কালি ব্যবহার না করার অভিযোগকে জাকসু নেতারা সুস্পষ্ট মিথ্যাচার বলে দাবি করেন।
জাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচন চলাকালে পাঁচ শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত থাকলেও কোথাও নির্বাচনী জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং একটি নির্দিষ্ট সংগঠনকে জেতাতে অধ্যাপক নাইরিন ইসলাম খানের ভূমিকা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ তিন দশক পর অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচন নিয়ে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই এমন বক্তব্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত এবং এটি শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক মতামতকে অবমূল্যায়ন করে।
বক্তব্যে অধ্যাপক নাইরিন ইসলাম খানকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে।










