ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় একটি টিনশেড গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া পাঁচটি মরদেহের মধ্যে তিনজন নারী বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের একজন মিম আক্তার পাখি, যিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা এলাকার বাসিন্দা। তবে মরদেহগুলো অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া লিঙ্গ ও পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম।

শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, নিহতদের পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা করে এবং আহতদের পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক বিবৃতিতে তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করে দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তির নির্দেশ দেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুপুর ১টা ১১ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ১টা ১৬ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। মোট সাতটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। বর্তমানে কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছে কি না তা নিশ্চিত হতে তল্লাশি ও ডাম্পিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।










