তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, চলচ্চিত্র শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের চিন্তাধারা ও মনোজগৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সোমবার (৪ মে) বেলা ১২টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘সত্যজিৎ রায় উৎসব ২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনে সোসাইটির সহযোগিতায় ইতিহাস ঐতিহ্য পরিষদ ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন্স-এর যৌথ উদ্যোগে কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়-এর জন্মদিন উপলক্ষে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, “সৃষ্টিশীল কাজ—হোক তা চলচ্চিত্র বা বই—মানুষের চিন্তায় গভীর প্রভাব ফেলে। কমিউনিকেশন ও সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সমাজে মানুষের মনোজগৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।”
তিনি আরও বলেন, “সৃষ্টিশীল নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বৃহত্তর ইতিহাস ও সমাজকে বুঝতে হবে। ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগ আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তবে এই প্রভাব যেন চিন্তার স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু বলেন, বর্তমান সময়েও সত্যজিৎ রায়ের কাজ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে, জাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, চলচ্চিত্র গবেষক মঈনুদ্দিন খালেদ, নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল এবং অভিনেতা-নির্মাতা তৌকির আহমেদ।










