ঢাকার ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ সময় ধারালো অস্ত্রের মুখে তার স্বামীকে জিম্মি করে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবণ গ্রামের শান্তি রানী মনিদাসীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণকারীরা ওই গৃহবধূর কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। পরে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়ি ও গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জানা যায়, মানিকগঞ্জ এলাকার এক বাসিন্দা, যিনি ধামরাই উপজেলার পাবরাইল এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক, তিনি স্ত্রীকে নিয়ে বালিয়াটি প্রাসাদ ঘুরতে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন রামরাবণ গ্রামের ফনি চন্দ্র মনি দাসের ছেলে ও ওই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনি দাস। ঘোরাফেরা শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বাড়িতে যান এবং পরে রাত্রিযাপনের জন্য তার বোন শান্তি রানী মনিদাসের বাড়িতে ওঠেন।
রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পাঁচ থেকে সাতজন যুবক চাপাতি ও রামদা নিয়ে ঘরে ঢুকে স্বামীকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে এবং তার স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী দম্পতি স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চান। তবে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সজীব চন্দ্র মনি দাসসহ কয়েকজন যুবক ওই নারী ও তার স্বামীকে লাঠিপেটা করে গ্রাম থেকে বের করে দেয় বলে স্থানীয়রা জানান।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার এএসআই হারাধন সরকার বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ভুক্তভোগী কিংবা অভিযুক্ত কাউকেই পাওয়া যায়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাস জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাননি এবং এখনো অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।










