মায়েদের নিয়ে আর যদি কোনো অপমানজনক আচরণ করা হয়, তাহলে মায়ের সন্তানেরা বিস্ফোরিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মায়েদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করা হলে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। হামলাকারীদের অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহ ও ভুক্তভোগী মায়েদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে (মিরপুর-কাফরুল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির ও আসন পরিচালক আব্দুর রহমান মূসা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি লস্কর মো. তসলিম, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ফুটপাতের ছোট ব্যবসায়ী, ফুটপাতের ভিক্ষুক ও বাড়ির মালিকরা চাঁদাবাজির শিকার। দুনিয়ার সবাই চাঁদাবাজি করে জীবন চালায় না। জাতি মুক্তি চায় ও শান্তি চায়। জাতিকে আর জ্বালাবেন না।’
তিনি বলেন, ‘সর্বত্র দুর্নীতি বিস্তারলাভ করেছে। পরিষেবা নিতে গেলে জায়গায় জায়গায় চাঁদা বা ঘুষ না দিলে কাজ হয় না।’
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট বিষয়ে তিনি বলেন, এদিন দুটি ভোট, ‘হ্যাঁ’ মানে আমরা ফ্যাসিবাদ চাই না। যারা চান ‘না’ বাংলাদেশকে কোনো গোষ্ঠীর রাজ্যে পরিণত করা হোক, দেশ ১৮ কোটি মানুষের তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। আমরা সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবো প্রতিবেশী ও মা-বোনদের, আপনজন ও বন্ধু-বান্ধবদের উৎসাহিত করবো।
তিনি বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পর যারা মামলাবাজি, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি করেননি আগামী ১২ তারিখ জনগণ তাদেরকেই বেছে নেবে। জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে তাদের প্রতি সবাইকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে, এটাই গণতন্ত্র। গায়ের জোরে নিজের পক্ষে রায় নেওয়া কখনই গণতন্ত্র হতে পারে না।










