| | |

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ১৩তম সমাবর্তন সাভারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের মোট ৪ হাজার ২০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৯১ জন স্নাতক এবং ৬২৯ জন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল, চারজনকে চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সনদ প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল প্রাপ্তরা হলেন— মোছা. স্বপ্নীল আক্তার নূর, মোছা. জাকিয়া আক্তার, সৌরভ গারদিয়া, আরিফুল রহমান ও মুনতাসির সরকার। চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল পান আনজির রহমান খান, মো. তুহিন ইসলাম, মো. আবু বকর সিদ্দিক এবং মো. আবু বকর সিদ্দিক। ভাইস-চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল পান শাহরিয়ার শহীদ, বায়েজিদ চৌধুরী ও হালিমা আক্তার।

অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা এমন এক পৃথিবীতে প্রবেশ করছে, যা দ্রুত পরিবর্তনশীল ও উদ্ভাবনী সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ। তিনি বলেন, ডিগ্রির চেয়েও বড় বিষয় হলো বিবেক ও নৈতিকতা। একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ববোধ ও নৈতিক শক্তি দিয়ে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবর্তন বক্তা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে। কেবল উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, গুণগত মান ও উদ্ভাবন নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি তরুণদের জ্ঞানভিত্তিক কাজ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও বাস্তবভিত্তিক উদ্ভাবনের যে ধারা গড়ে উঠেছে, তা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ তৈরি করছে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, আজকের দিনটি শুধু সনদ গ্রহণের নয়, বরং জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার দিন। তিনি বলেন, ড্যাফোডিল কখনোই কেবল চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং চাকরিদাতা তৈরি করতে চেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর গ্র্যাজুয়েটরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, এই সমাবর্তন শিক্ষাজীবনের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলেও বাস্তব জীবনের নতুন যাত্রার সূচনা। ড্যাফোডিলের শিক্ষা ও দক্ষতা শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ