ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার–আশুলিয়া) আসনে জামায়াত ও এনসিপি জোটের প্রার্থী দিলশানা পারুল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি তার প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের কর্মপরিকল্পনা ও নির্বাচনি অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
দিলশানা পারুল বলেন, জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, আত্মাহুতি দিয়েছেন ও আহত হয়েছেন, তাদের সবাইকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
এদিন সকালে জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে সরে যাওয়া জামায়াত নেতা আফজাল হোসেনের দোয়া নেন তিনি।
নির্বাচনি অঙ্গীকার প্রসঙ্গে দিলশানা পারুল বলেন, সাভার ও আশুলিয়াবাসীর জীবনমান উন্নয়নই তার মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধ করাই হবে তার প্রথম ম্যান্ডেট। নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া রাস্তাঘাটে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় অপসারণ, চলাচলের অনুপযোগী সড়ক সংস্কার এবং বংশী ও তুরাগ নদীর দূষণ রোধে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলকে শ্রমিক ও ব্যবসাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য তুলে ধরে দিলশানা পারুল বলেন, শ্রমিক, মালিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি নিরাপদ ও মানসম্মত জীবন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি মাঠে নামার পর জনগণের সাড়া তাকে আশাবাদী করেছে। বিশেষ করে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে মানুষের আগ্রহ ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট হয়েছে। নারী ভোটারদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।










