| | |

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

স্বপ্রণোদিত বিবৃতিতে সম্পৃক্ততা নেই অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদনে অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান-এর নাম জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের প্রসঙ্গে জানানো হয় সংশ্লিষ্ট বিবৃতির সঙ্গে ড. নাহরিন ইসলাম খানের ব্যক্তিগত কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

উক্ত বিবৃতির সাথে ড. নাহরিন ইসলাম খান কোনোভাবেই যুক্ত নন। যারা বিবৃতিটি দিয়েছেন, তারা সম্পূর্ণ স্বপ্রণোদিত হয়েই তা প্রকাশ করেছেন। এমনকি বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন, তাদের কারো সাথেই অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের ব্যক্তিগতভাবে কোনো যোগাযোগ বা কথা হয়নি। ফলে তাঁকে জড়িয়ে যে সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পাশাপাশি, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘ড. নাহরিন ইসলাম খানের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি’ মর্মে যে দাবি করা হচ্ছে—তাও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে এ ধরনের অসংগতি ও অসত্য তথ্য প্রকাশ করা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নাজমুল হাসান অভি বলেন, ‘নাহরিন ইসলাম খানের পক্ষে বিবৃতিটি জাকসু ও ছাত্রদলের সাবেক নেতারা আমরা স্ব-প্রনোদিত হয়ে দিয়েছি। এ বিষয়ে নাহরিন ইসলামের সাথে যোগাযোগ করাও হয়নি। নাহরিন ইসলাম খানের ব্যক্তিগত কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এ বিবৃতির সাথে। এজন্য তাঁকে জড়িয়ে মিডিয়া ফ্রেমিং করে অসত্য তথ্য প্রকাশ করা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, নাহরিন ইসলাম জাহানারা ইমাম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিতা জনাব এন আই খান বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তাঁর ত্যাগ-তিতিক্ষা সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। এ ছাড়া নাহরিন ইসলাম খান নিয়মিত টকশোতে অংশগ্রহণ করেন। এজন্য তাঁকে মিথ্যা মামলা ও হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে তবুও তিনি থেমে থাকেননি। তাছাড়া নাহরিন ইসলামকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বট বাহিনী নানাভাবে নোংরামি করছে। একজন জাতীয়তাবাদী পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের মনে হয়েছে একটা বিবৃতি দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের কাছে মনে হয়েছে একজন উচ্চশিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষাবিদ হিসেবে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অধ্যাপক নাহরিন অধিকতর যোগ্য। তাঁর দীর্ঘ একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমরা মনে করি।

এই ব্যাপারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নির্বাচিত দুইবারের সাবেক সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক পারভেজ মল্লিক বলেন, সিন্ডিকেট সদস্য কে হবেন তা হাই কমান্ডের বিবেচনার বিষয়। তবে সম্প্রতি অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানের বিপক্ষে যেভাবে মিডিয়া ট্রায়াল ও নোংরামি হয়েছে, তা দেখে আমাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমরা বিবৃতি দিয়েছি। আমরা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই স্বপ্রণোদিত হয়ে এই বিবৃতি দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান কেমন তা বিচার করবে সেসময় যারা বিএনপি ও ছাত্রদলের দায়িত্বে ছিলেন তারা। আমার সময়ে নাহরিন ইসলাম জাহানারা ইমাম হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিতা জনাব নজরুল ইসলাম খান বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তাঁর ত্যাগ-তিতিক্ষা সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত। এরপরও যখন নাহরিন ইসলামকে নিয়ে নোংরামি হয়েছে, তখন আমাদের মনে হয়েছে একটা বিবৃতি দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের কাছে মনে হয়েছে একজন উচ্চশিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষাবিদ হিসেবে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অধ্যাপক নাহরিন অধিকতর যোগ্য। তাঁর দীর্ঘ একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমরা মনে করি।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ