ঢাকার সাভারে মিলন (১৫) নামে এক অটোরিকশাচালকের ৩৮ টুকরা কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ আলম।
তিনি জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল চারটার দিকে নিজের অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় মিলন। রাত পার হলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরদিন তার মা আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে দীর্ঘ দুই মাসেও মিলনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এরপর গত ১ ডিসেম্বর আশুলিয়ার মডেল টাউন এলাকার একটি কাশবনের ভেতর থেকে মিলনের দেহের প্রায় ৩৮ টুকরা কঙ্কাল উদ্ধার করে পিবিআই। উদ্ধারকৃত কঙ্কালের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি।
তদন্তে বেরিয়ে আসে, ঘটনার দিন মিলনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ দুই বন্ধু রনি ও সুমনের দেখা হয়। ঋণগ্রস্ত রনি ও সুমন পরিকল্পিতভাবে মিলনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ কাশবনের ভেতরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পিবিআই প্রধান জানান, নিহত মিলন, রনি ও সুমন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করত। ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তারা মিলনকে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাই করে। পরে ওই অটোরিকশাটি ৬২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রনি, সুমনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হচ্ছে বলে জানান পিবিআই কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।










