ঢাকার আশুলিয়ায় সাত বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রবিবার রাতে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদি হয়ে আশুলিয়া থানায় মামালাটি দায়ের করেন। মামলায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আসামীরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল থানার লাকপুর গ্রামের মৃত আব্দুছ ছালামের ছেলে মোঃ শামীম মিয়া (৩২), একই এলাকার নামাপাড়া মহল্লার জাকির (৪০), জামাল (৪০) এবং বরিশালের মিন্টু (৪০)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদি ১৫ বছর ধরে আশুলিয়ার আমবাগান এলাকার সৈকতের বাড়িতে ভাড়া থেকে মুদি দোকান পরিচালনা করছেন। তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ৭ বছরের কন্যা শিশু গত ৬ অক্টোবর বিকেলে মাদ্রাসার ক্লাস শেষে বান্ধবীর বাড়িতে প্রাইভেট পড়ে বাসায় ফেরার সময় পানধোয়া বাজারের পাশের লালুর বাড়ির ভাড়াটিয়া শামীম মিয়া জোরপূর্বক তার মেয়েকে নিজের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি তার মায়ের দোকানের সামনে আসলে জাকির ও মিন্টু মিলে ওই শিশুটিকে পাশ্ববর্তী অংকুরের সিমেন্টের দোকানে ভিতরে নিয়ে বিভীন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করে। পরবর্তীতে ৭ অক্টোবর বরিশালের মিন্টু আবারও তার মেয়েকে আমবাগান জামে মসজিদের ভিতরে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এঘটনায় শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসায় ধর্ষণের বিষয়টি ধরা পড়লে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা পাওয়ায় ৭ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।
আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। খুব শীঘ্রই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।










